িতিক নার্সিং এমন একটি পেশা যা সাধারণ জনগণের স্বাস্থ্য পরিচর্যা ও স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক কর্মকাণ্ডের সাথে সম্পৃক্ত। এ পেশার মাধ্যমে ব্যক্তিগত, পারিবারিক কিংবা সামাজিকভাবে কোন রোগী বা ব্যক্তির স্বাস্থ্য পুণরুদ্ধার এবং জীবনযাত্রার গুরুত্বতা তুলে ধরা হয়।
বর্তমান বিশ্বের প্রতিটি দেশেই নার্সদের উচ্চ বেতনে এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত চাকুরির প্রচুর সুযোগ রয়েছে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক ভাবে আমাদের দেশের জনসাধারণ নার্সিং শিক্ষার উপরে তেমন গুরুত্ব দেন না। ফলে দেশে-বিদেশে দক্ষ নার্সদের চাকুরির সুযোগ আমরা দিন দিন হারাচ্ছি। কিন্তু আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ চীন, ভারত, ফিলিপাইন এবং শ্রীলঙ্কায় নার্সিং একটি সম্মান জনক পেশা হিসেবে স্থান পেয়েছে।
বাংলাদেশ সরকারের নার্সিং ও মিডওয়াইফারী অধিদপ্তরের তথ্য মতে, ২০১৩ সালে ৪ হাজার ১০০ জনকে দেশের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে সিনিয়র স্টাফ নার্স পদে নিয়োগ করা হয়েছে। পরবর্তীতে পিএসসির মাধ্যমে আরও ১০ হাজার সিনিয়র স্টাফনার্স সরকারি হাসপাতালে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে আরও কয়েক হাজার নার্স নিয়োগ দানের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। দেশের চাহিদার প্রেক্ষিতে এরকম নিয়োগ নিয়মিত ভাবে প্রতিবছরই দেওয়া হবে।
কিন্তু দেশের অন্য কোনো পেশায় বা জনগুরুত্ব সম্পন্ন সার্ভিসে প্রতি বছর এতো সংখ্যক পদে নিয়োগ নেই।
শুধুমাত্র নার্সিং এ সুযোগটি বিদ্যমান আছে। এতে দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি পাচ্ছে। নার্সিং পেশায় যারা ক্যারিয়ার গড়তে চান, তাদের জন্য সুস্পষ্ট ভবিষ্যৎ রয়েছে। বিদেশি উদ্যোগতাগণ বাংলাদেশ থেকে দক্ষ নার্স নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করছেন। অতি শিগগিরই অনেক বিদেশি উদ্যোক্তা বাংলাদেশের দক্ষ নার্স নিয়োগের জন্য আসছেন।
এতদ্বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রদান ও নার্সিং এ দেশে-বিদেশে উজ্জ্বল ক্যারিয়ার গঠনের লক্ষে এবং দক্ষ নার্স তৈরীতে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে রাজশাহী তে অবস্থিত উদয়ন নার্সিং কলেজ।
ভর্তি সংক্রান্ত তথ্য জানতে ও অনলাইন ভর্তির জন্য ভিজিট করুন:
আমাদের কলেজ সম্পর্কে যে কোন তথ্য জানতে ভিজিট করুন:
অথবা মেসেজ করুন আমাদের ফেসবুক পেইজে।
https://www.facebook.com/udayanUNC?mibextid=ZbWKwL
মোবাইল: 01784-800100, 01796-661919
#উদয়ননার্সিংকলেজ#উদয়ন#নার্সিংকলেজ#মেদিবস#পহেলামে#আন্তর্জাতিকশ্রমিকদিবস#UNC
আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস যা সচরাচর মে দিবস নামে অভিহিত। প্রতি বছর পয়লা মে তারিখে বিশ্বব্যাপী উদযাপিত হয়। এটি আন্তর্জাতিক শ্রমিক আন্দোলনের উদ্যাপন দিবস। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে শ্রমজীবী মানুষ এবং শ্রমিক সংগঠনসমূহ রাজপথে সংগঠিতভাবে মিছিল ও শোভাযাত্রার মাধ্যমে দিবসটি পালন করে থাকে।
বাংলাদেশে মে দিবসে সরকারি ছুটি। দিনটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী বাণী দিয়ে থাকেন।
সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থা ও সংগঠন দিনটি পালন করতে শোভাযাত্রা, শ্রমিক সমাবেশ,
আলোচনা সভা, সেমিনার, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ নানা কর্মসূচি নিয়ে থাকে। মে দিবসে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল , ট্রেড ইউনিয়ন ও শ্রমিক ফেডারেশন সহ বিভিন্ন সংগঠন পৃথক কর্মসূচি পালন করে। প্রতিবছর একটি প্রতিপাদ্য বিষয় নিয়ে মে দিবস উদ্যাপন করা হয়।
২০২৩ সালের প্রতিপাদ্য বিষয় হল-
“শ্রমিক-মালিক ঐক্য গড়ি স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলি”।